মেনু নির্বাচন করুন

ছবি
শিরোনাম
গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়
বিস্তারিত

নষ্ট হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে বড়ালে জলপ্রবাহ শূন্যে নেমে আসে; ধীরে ধীরে বড়াল মরে যেতে থাকে এবং এককালের প্রমত্তা বড়াল নদী ক্রমশ: জলহীন কৃশ খালে পরিণত হয়। যোগাযোগের সুবিধার কারণে বড়াল নদীর দুই পাড়ে আড়ানী বাজার, রুসত্মমপুর পশুহাট, পাঁকা বাজার, জামনগর বাজার, বাঁশবাড়িয়া বাজার, তমালতলা বাজার, বাগাতিপাড়া থানা, দয়ারামপুর সেনানিবাসসহ ইত্যাদি গড়ে উঠেছিল। এগুলোর কর্মকাণ্ডেও ভাটাবড়াল নদীর উৎপত্তি রাজশাহী জেলার চারঘাট থেকে পদ্মা নদীর শাখা নদী হিসেবে। রাজশাহীর চারঘাট থেকে বাঘা, নাটোরের বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার মধ্য দিয়ে বাঘাবাড়ী হয়ে এটি হুড়া সাগরে মিশে নাকালিয়া নামক স্থানে যমুনা নদীতে পড়েছে। এটি রাজশাহী, নাটোর, পাবনাসিরাজগঞ্জ চারটি জেলা ও আটটি উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি পদ্মা-যমুনার সংযোগকারী নদী ছিল। এছাড়া এই নদী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলাভূমি চলনবিলের পানি প্রবাহের প্রধান সংযোগ নদী।[২] নদীটি তুলনবামূলকভাবে ছোট হলেও এটির নাব্যতা ছিল ভালো, ছিল খরস্রোত। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে এর উৎপত্তিস্থলে, চারঘাটে, বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে একটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এর ফলে বড়ালে জলপ্রবাহ কমে যেতে থাকে; নদীটির মরণ পক্রিয়া শুরু হয়। বড়ালের উৎসস্থল চারঘাটে একটি জলফটক, ৪৬ কিলোমিটার ভাটিতে আটঘড়ি নামক স্থানে আরো একটি জলফটক, বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকায় তীরদখল, ১২৫ কিলোমিটার ভাটিতে পাবনার চাটমোহর উপজেলায় ৩টি আড়াআড়ি বাঁধ নির্মাণ এবং দহপাড়ায় আরো একটি জলফটক তৈরী করা হয়। জলফটকগলি